নোটিশ ::
সংবাদ শিরোনাম ::
নবাবগঞ্জে সবজি ও মসলার বাজারে স্বস্তি : বেড়েছে মাছ ও মাংস দাম
প্রতিনিধির নাম
- আপডেট সময় : ০৪:৩১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬ ৬০ বার পড়া হয়েছে


মেহেদী হাসান, নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় রমজান মাসের মাঝামাঝি সময়ে নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তির অনুভূতি দেখা যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় লেবু, শসা, কলা, পেঁয়াজ, আলু ও বেগুনসহ বিভিন্ন সবজির দাম কমেছে। পাশাপাশি শুধু মাছ ও মাংসের দাম বৃদ্ধি ঘটেছে।শনিবার(৭মার্চ) নবাবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারের খুচরা এবং পাইকারি দোকানগুলো পরিদর্শন করে দেখা গেছে, রমজানের শুরুতে যেহেতু সবজির দাম বেশি ছিল, বর্তমানে তা অনেকটা কমে এসেছে। লেবুর দাম ৩০-৪০ টাকায় নেমে এসেছে, যা দুই সপ্তাহ আগে ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। তদ্রূপ, দেশি শসার দাম ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ৮০-১০০ টাকা ছিল। টমেটোর দামও কমে বর্তমানে ৩০-৪০ বিক্রি হচ্ছে, গাজর বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, পিঁয়াজ ৪০-৫০ টাকায়,লাউ ৩০ টাকায়,শিম ৩৫ টাকায়, শুধু পটল ও সজিনার দাম বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

তবে বিভিন্ন রকমের মসলার দামও অপরিবর্তিত রয়েছে। মাংসের বাজারে গরুর মাংসের দাম বর্তমানে ৭০০-৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে,খাসির মাংস ১০০০ টাকায়, এবং ব্রয়লার মুরগী ১৭০-১৮০ টাকায় এবং সোনালী মুরগীর দাম বর্তমানে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একপাতা ডিম বিক্রি ২৪০-২৬০ টাকায়, টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে প্রতি কেজি মাছ বিক্রি হচ্ছে ২২০-২৫০ টাকায়।
এক পাইকারী ব্যবসায়ী জানান, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে আমদানি মসলার দাম আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়া অন্যান্য আমদানি নির্ভর নিত্যপণ্যের দামও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এক খুচরা ব্যবসায়ী জানান, সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে, তবে ক্রেতার সংখ্যা কম, তাই দামও নিম্নমুখী।এক ক্রেতা জানান, বর্তমানে সবজির বাজার কিছুটা স্তস্তি থাকলেও মাছ ও মাংসের বাজারে আগুন লেগেছে।


















