নবাবগঞ্জ ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নোটিশ ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম...
সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে ভালো ফসল ফলানোর লক্ষ্যে কৃষি অফিস থেকে পার্টনার শীপ অনুষ্ঠান র‌্যালি আলোচনা সভা নবাবগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত নবাবগঞ্জে ধান কাটার দাম বেশি, দুশ্চিন্তায় কৃষক ঘোড়াঘাটে গৃহ বধুকে জিম্মি করে বাড়ীতে ডাকাতি নগদ টাকা সহ ৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট ঘোড়াঘাটে মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল চুরি নিজের জ্বালানি থাকতে বিদেশ থেকে আমদানি নয় পার্বতীপুর বড়পুকুরিয়ায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী পার্বতীপুরে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের পেশার মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে মানববন্ধন পার্বতীপুরের সাংবাদিক মেনহাজুল ইসলামের চাচা’র জীবনাবসানl নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জের বিদায় অনুষ্ঠান নিরাপদ খাদ্য ও পারিবারিক পুষ্টি উন্নয়নে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে রয়েল সাইন্স স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে পুষ্টি মেলা অনুষ্ঠিত

নবাবগঞ্জে ধান কাটার দাম বেশি, দুশ্চিন্তায় কৃষক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬ ৭৯ বার পড়া হয়েছে
মেহেদী হাসান, নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে পাকা ধান বাতাসে দুলছে। সামান্য শিলাবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ায় এই ধান নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু ধান কাটতে শ্রমিক পাচ্ছেন না কৃষকেরা। তাই নিজেরা চেষ্টা করছেন ধান কেটে ঘরে তোলার। কৃষকেরা বলছেন, শ্রমিকের খুবই সংকট। যদিওবা কাউকে পান, তাঁরা মজুরি অনেক বেশি দাবি করেন। কৃষকেরা বলছেন, দ্রুত ধান কাটতে না পারলে মাঠের ধান মাঠেই ঝরে পড়বে। এ ছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে। বুধবার (১৩ মে) সকালে নবাবগঞ্জ উপজেলার নয় ইউনিয়ন ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।সরেজমিনে দেখা যায়, এসব এলাকার প্রায় ৯০ শতাংশ খেতের ধান পেকে গেছে। বাকি ১০ শতাংশ হালকা কাঁচাপাকা রয়েছে, যা এক সপ্তাহের মধ্যে কাটার উপযোগী হবে। এগুলোর মধ্য থেকে স্থানীয় শ্রমিকদের সহযোগিতায় কিছু ধান কাটা হচ্ছে। তবে শ্রমিকের সংখ্যা খুবই কম।কৃষকেরা জানান, প্রতিবছর মৌসুমের শুরুর দিকে রিপার হারভেস্টার ও কম্বাইন মেশিন দ্বারা ধান কাটা সম্পন্ন   করা হয়। তাছাড়া এবার শ্রমিকেরও সংকট রয়েছে।গত এক সপ্তাহের মধ্যে যে পরিমাণ ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তোলার কথা ছিল, রিপার হারভেস্টার ও কম্বাইন মেশিনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকা এবং তীব্র শ্রমিক সংকটের কারণে তা সম্ভব হয়নি। বৈশাখের শেষে ধান কেটে স্বস্তি নিয়ে ঘরে ফেরার কথা কৃষকের। অথচ ধান তুলতে না পারার কারণে এখন ঋণের চাপ এবং দেনা পরিশোধের দুশ্চিন্তায় তাদের দিন কাটছে।
ভাদুরিয়া ইউনিয়নের মো.জহুরুল ইসলাম বলেন, “এক সপ্তাহ আগে মাঠের ধান পেকে কাটার উপযোগী হয়েছে। ফলনও হয়েছে ভালো। কিন্তু ৬ হাজার টাকা দিয়েও সে ধান কাটার জন্য শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। অপরদিকে  হারভেস্টার ও  কম্বাইন মেশিনের সংকট। আকাশের অবস্থাও ভালো না ধান ঘরে তুলতে পারব কি না দুঃচিন্তা আছি।”
শালখুরিয়া ইউনিয়নের এক কৃষক বলেন, “ধার দেনা করে ২ বিঘা জমিতে ধান লাগাইছি কিন্তু ধান কাটার দাম বেশির হওয়ায় আবাদের খরচ উঠবে কি না সন্দেহ কারণ ধানের দামও তো কম।”এলাকার সাধারণ কৃষকদের দাবী অতি দ্রুত পর্যাপ্ত হারভেস্টার ও  কম্বাইন মেশিন সরবরাহ বৃদ্ধি করা ও ধানের বাজার মূল্য মনিটরিং পর্যবেক্ষণ করা।
ট্যাগস :

নবাবগঞ্জে ধান কাটার দাম বেশি, দুশ্চিন্তায় কৃষক

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
মেহেদী হাসান, নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে পাকা ধান বাতাসে দুলছে। সামান্য শিলাবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ায় এই ধান নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু ধান কাটতে শ্রমিক পাচ্ছেন না কৃষকেরা। তাই নিজেরা চেষ্টা করছেন ধান কেটে ঘরে তোলার। কৃষকেরা বলছেন, শ্রমিকের খুবই সংকট। যদিওবা কাউকে পান, তাঁরা মজুরি অনেক বেশি দাবি করেন। কৃষকেরা বলছেন, দ্রুত ধান কাটতে না পারলে মাঠের ধান মাঠেই ঝরে পড়বে। এ ছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে। বুধবার (১৩ মে) সকালে নবাবগঞ্জ উপজেলার নয় ইউনিয়ন ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।সরেজমিনে দেখা যায়, এসব এলাকার প্রায় ৯০ শতাংশ খেতের ধান পেকে গেছে। বাকি ১০ শতাংশ হালকা কাঁচাপাকা রয়েছে, যা এক সপ্তাহের মধ্যে কাটার উপযোগী হবে। এগুলোর মধ্য থেকে স্থানীয় শ্রমিকদের সহযোগিতায় কিছু ধান কাটা হচ্ছে। তবে শ্রমিকের সংখ্যা খুবই কম।কৃষকেরা জানান, প্রতিবছর মৌসুমের শুরুর দিকে রিপার হারভেস্টার ও কম্বাইন মেশিন দ্বারা ধান কাটা সম্পন্ন   করা হয়। তাছাড়া এবার শ্রমিকেরও সংকট রয়েছে।গত এক সপ্তাহের মধ্যে যে পরিমাণ ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তোলার কথা ছিল, রিপার হারভেস্টার ও কম্বাইন মেশিনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকা এবং তীব্র শ্রমিক সংকটের কারণে তা সম্ভব হয়নি। বৈশাখের শেষে ধান কেটে স্বস্তি নিয়ে ঘরে ফেরার কথা কৃষকের। অথচ ধান তুলতে না পারার কারণে এখন ঋণের চাপ এবং দেনা পরিশোধের দুশ্চিন্তায় তাদের দিন কাটছে।
ভাদুরিয়া ইউনিয়নের মো.জহুরুল ইসলাম বলেন, “এক সপ্তাহ আগে মাঠের ধান পেকে কাটার উপযোগী হয়েছে। ফলনও হয়েছে ভালো। কিন্তু ৬ হাজার টাকা দিয়েও সে ধান কাটার জন্য শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। অপরদিকে  হারভেস্টার ও  কম্বাইন মেশিনের সংকট। আকাশের অবস্থাও ভালো না ধান ঘরে তুলতে পারব কি না দুঃচিন্তা আছি।”
শালখুরিয়া ইউনিয়নের এক কৃষক বলেন, “ধার দেনা করে ২ বিঘা জমিতে ধান লাগাইছি কিন্তু ধান কাটার দাম বেশির হওয়ায় আবাদের খরচ উঠবে কি না সন্দেহ কারণ ধানের দামও তো কম।”এলাকার সাধারণ কৃষকদের দাবী অতি দ্রুত পর্যাপ্ত হারভেস্টার ও  কম্বাইন মেশিন সরবরাহ বৃদ্ধি করা ও ধানের বাজার মূল্য মনিটরিং পর্যবেক্ষণ করা।