নোটিশ ::
সংবাদ শিরোনাম ::
নবাবগঞ্জে দুই শতাব্দীর ঐতিহ্য বারুণী মেলা অনুষ্ঠিত: ভক্তদের ভীড়
প্রতিনিধির নাম
- আপডেট সময় : ০৩:২০:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬ ৭৫ বার পড়া হয়েছে


মোঃ মেহেদী হাসান, নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ কেন্দ্রীয় বিষ্ণু মন্দির প্রাঙ্গণে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব বারণী মেলা ও পাঠা বলি ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ১১ টায় বারুণী মেলা সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় যে, নবাবগঞ্জ কেন্দ্রীয় বিষ্ণু মন্দিরে ভক্তদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে । নাগরদোলা চড়ে অনেকেই মেলার চমৎকার দৃশ্য উপভোগ করেছেন।
এ মেলায় বিভিন্ন ধরনের দোকান এসেছে। বিশেষ করে সন্ধার পর মিষ্টি, জিলাপির দোকান গুলোতে ক্রেতাদের ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মেলা প্রাঙ্গণে কসমেটিকস দোকানে নারী ও শিশুদের ভীড় করছে। উল্লেখ্য যে গতকাল বাংলা চৈত্র মাসের ৩ তারিখে করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত তর্পণঘাট কেন্দ্রীয় বিষু মন্দির প্রাঙ্গণে শত শত বছরেরধারাবাহিকতায় এ মেলা ৩ দিনব্যাপী আয়োজন করা হয়েছে। মেলার পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যান ফ্রন্টের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার গজেন চন্দ্র বর্মন স্বপন, মেলার ইজারাদার বাবু এবং কেন্দ্রীয় বিষ্ণু মন্দিরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি
মাখন সরকার।মেলা কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার গজেন চন্দ্র বর্মন স্বপন বলেন, “প্রায় দুই শতাধিক বছরের পুরনো এই মেলা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচার ও মিলনমেলা হিসেবে সুপরিচিত।”এক পুণ্যার্থী বলেন, “নবাবগঞ্জ বারুণী মেলায় হাজার হাজার লোকের সমাগম হয়েছিল এবং অনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে আজ শেষ হবে। ”মেলা সূত্রে জানা যায়, উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর দূর-দূরান্ত থেকে হাজারো ভক্ত ও দর্শনার্থী এখানে সমবেত হন। দেবীর উদ্দেশ্যে পূজা-অর্চনা, মন্ত্রপাঠ এবং পাঠা বলির মধ্য দিয়ে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া করতোয়া নদীতে স্নান করে ভক্তরা পূজায় অংশ নেন, যা তাদের কাছে পবিত্রতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। স্থানীয়রা জানান,
মেলাকে ঘিরে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। নানা ধরনের দোকানপাট, খেলনা, মিষ্টি ও গ্রামীণ পণ্যের পসরা বসে মেলাটিকে করে তোলে প্রাণবন্ত। অতীতে হাজার হাজার মানুষের সমাগম হলেও বর্তমানে স্থান সংকীর্ণতার কারণে উপস্থিতি কিছুটা কমে এলেও এখনও মানুষের অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এ মেলায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতিও সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।


















