নবাবগঞ্জ ১১:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নোটিশ ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম...
সংবাদ শিরোনাম ::
নবাবগঞ্জে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন নবাবগঞ্জে বিনামূল্যে চক্ষু শিবির, চিকিৎসা পেলেন প্রায় দুই শতাধিক পার্বতীপুরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু পার্বতীপুরে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন, স্বতন্ত্র এমপির বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগl পার্বতীপুরে চোরাই সরকারি বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ পার্বতীপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু, সংযোগ বন্ধ না করার অভিযোগ পার্বতীপুরে ৫০ মেধাবী শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তির চেক প্রদান নবাবগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা পার্বতীপুরে প্রিপেইড মিটার নিয়ে ক্ষোভ, অপসারণের দাবিতে গ্রাহকদের বিক্ষোভ

পার্বতীপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, ৩ হোটেল ও এক বেকারিকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে

 

 

মেনহাজুল ইসলাম তারেক, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

 

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের খাদ্যসামগ্রী তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে তিনটি হোটেল এবং একটি বেকারিকে মোট ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিকদের ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যায় পার্বতীপুর শহরের বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এ দণ্ডাদেশ দেন দিনাজপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-৫-এর বিচারক মো. সোহাগ হোসেন। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও সহযোগিতা করেন।

জরিমানাকৃত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—শাহ হোটেল, মুক্তিযোদ্ধা হোটেল, মামা-ভাগিনা হোটেল এবং তাজ বেকারি।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের খাবার, মিষ্টি, দই ও খোরমা প্রস্তুত ও বিক্রি করা হচ্ছিলো। অভিযানের সময় খাদ্য প্রস্তুতের পরিবেশে নানা অনিয়ম এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির প্রমাণ পাওয়া যায়। এ সময় সংশ্লিষ্ট মালিকরা আদালতের কাছে অভিযোগের বিষয়ে দোষ স্বীকার করেন।

পরে নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা-সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী শাহ হোটেল, মুক্তিযোদ্ধা হোটেল এবং মামা-ভাগিনা হোটেলকে এক লাখ টাকা করে মোট তিন লাখ টাকা এবং তাজ বেকারিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। আদালত নির্দেশ দেন, জরিমানার অর্থ অনাদায়ে সংশ্লিষ্ট মালিকদের ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড কার্যকর হবে।

অভিযান শেষে বিচারক মো. সোহাগ হোসেন বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে। ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত কোনো প্রতিষ্ঠানকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন।

 

 

ট্যাগস :

পার্বতীপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, ৩ হোটেল ও এক বেকারিকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট সময় : ১১:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

 

 

মেনহাজুল ইসলাম তারেক, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

 

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের খাদ্যসামগ্রী তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে তিনটি হোটেল এবং একটি বেকারিকে মোট ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিকদের ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যায় পার্বতীপুর শহরের বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এ দণ্ডাদেশ দেন দিনাজপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-৫-এর বিচারক মো. সোহাগ হোসেন। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও সহযোগিতা করেন।

জরিমানাকৃত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—শাহ হোটেল, মুক্তিযোদ্ধা হোটেল, মামা-ভাগিনা হোটেল এবং তাজ বেকারি।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের খাবার, মিষ্টি, দই ও খোরমা প্রস্তুত ও বিক্রি করা হচ্ছিলো। অভিযানের সময় খাদ্য প্রস্তুতের পরিবেশে নানা অনিয়ম এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির প্রমাণ পাওয়া যায়। এ সময় সংশ্লিষ্ট মালিকরা আদালতের কাছে অভিযোগের বিষয়ে দোষ স্বীকার করেন।

পরে নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা-সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী শাহ হোটেল, মুক্তিযোদ্ধা হোটেল এবং মামা-ভাগিনা হোটেলকে এক লাখ টাকা করে মোট তিন লাখ টাকা এবং তাজ বেকারিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। আদালত নির্দেশ দেন, জরিমানার অর্থ অনাদায়ে সংশ্লিষ্ট মালিকদের ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড কার্যকর হবে।

অভিযান শেষে বিচারক মো. সোহাগ হোসেন বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে। ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত কোনো প্রতিষ্ঠানকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন।